---Advertisement---

Auto Image Slider

৫০০বছর ধরে এই গ্রামেই মা কালীর চার বোনের পুজো হয়ে আসছে

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,মেমারি: কালি পুজো নিয়ে গোটা বাংলা জুড়েই রয়েছে ঠাকুরের নানান মাহাত্ম্যের কাহিনী।
তবে এই কাহিনীটি একেবারে আলাদা। পূর্ব বর্ধমানের এই গ্রামেই থাকেন কালী ঠাকুরের চার বোন। বড়মা, মেজমা, সেজোমা ও ছোটমা। মেমারি এক নম্বর ব্লকের আমাদপুর গ্রামে প্রায় ৫০০ বছরের বেশি সময় ধরে এই দেবীর পুজো হয়ে আসছে। এই চার বোন ছাড়াও গোটা গ্রামে রয়েছে কমবেশি প্রায় দুশো কালী। দেবী সিদ্ধেশ্বরী, বুড়িমা, ডাকাত কালী, ক্ষ্যাপা মা, আনন্দময়ী মায়ের মত ভিন্ন নামের বিভিন্ন মা কালী এখানে পূজিত হন।

বিজ্ঞাপন
গ্রামের ঢোকার মুখেই প্রথমে প্রায় কুড়ি ফুট উচ্চতার বড়মার দর্শন পাওয়া যাবে। আরো কিছুটা এগোলেই রয়েছে প্রায় ১৭ ফুট উচ্চতার মেজমা, আর তার আশে পাশে রয়েছে সেজো মা ও ছোট মায়ের মন্দির। বহু দূর দূরান্ত থেকে মানুষ কালী পূজার দিনে হাজির হন এই আমাদপুর গ্রামে। বিসর্জনের দিন বড়মা, মেজমা, সেজো মা ও ছোটমাকে চতুর্দোলায় করে শোভাযাত্রা বের হয়। যা দেখতে বহু মানুষের সমাগম হয়। এই দেবীরা ছাড়াও আরো গ্রামের যত দেবী রয়েছে সকলের একসঙ্গে চতুর্দোলায় করে বাদ‍্য সহকারে সারিবদ্ধ ভাবে শোভাযাত্রা বের হয়। সারারাত গ্রাম ঘোরানোর পর ভোরবেলায় হয় মায়ের বিসর্জন।

কথিত আছে পূর্বে এই গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ছিল বেহুলা নদী, বর্তমানে তা মজে গিয়ে খালের আকার নিয়েছে। সেই সময় এখান দিয়েই বণিকরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে যেত। নদীর ধারে ছিল মহাশ্মশান।সেখানে এক সাধু কালী সাধনা করতেন। দস্যুদের কবল থেকে বাঁচতে বণিকরা এই শ্মশানে কালী মন্দিরে পুজো দিতো। আর তার ফলস্বরূপ তারা দস্যুদের হাত থেকে রক্ষাও পেতো বলে শোনা যায়।

তখন থেকেই এই দেবীর প্রতি বিশ্বাস জন্মায় এবং এই দেবীর মাহাত্ম্য ছড়িয়ে পড়ে দিকে দিকে। দূর্গা পূজার পরেই বাঙালির আর এক আনন্দের উৎসব কালীপুজো।
আমাদপুর গ্রামের মানুষও সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন এই কালীপুজোর দিকে। আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা, তারপরই আপামর বাঙালির পাশাপাশি আমাদপুর গ্রামও মেতে উঠবে কালী পুজোর আনন্দে।

See also  আগুনে ভস্মীভূত বসত বাড়ি, চরম দুশ্চিন্তায় গোটা পরিবার
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---