ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,মেমারি: পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহাংশ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার মেমারি-২ ব্লকের কুচুট গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কালেশ্বর দাসপাড়া সংলগ্ন বর্ধমান-কালনা রোডের পাশের জঙ্গল থেকে হাত, পা কাটা দেহাংশ উদ্ধার করা হয়। দেহাংশটি খণ্ড-বিখণ্ড ও মুণ্ডুহীন ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে আজ, বুধবার তদন্তে নামে তিনটি বিশেষ দল। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের আরএফএসএল (RFSL) দুর্গাপুর টিম, স্নিফার ডগ স্কোয়াড এবং ডাম্প টিম যৌথভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সরেজমিনে তদন্ত চালায়। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করেছেন এবং দেহের বাকি অংশের সন্ধানে জোরদার তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন। মেমারি থানার পুলিশের উপস্থিতিতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্তের কাজ শুরু করে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দেহের বাকি অংশের কোনও সন্ধান মেলেনি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশ দ্রুত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কিনারা করতে বদ্ধপরিকর।
এলাকার বাসিন্দারা এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাঁরা পুলিশের কাছে দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই ভয়াবহ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যদিও পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যেই জোরদার তদন্ত শুরুর পাশাপাশি অপরাধীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। ঘটনার পর থেকে এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্তে গতি আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে মেমারি পুলিশ। এদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ডিএসপি মিজানুর রহমান, সিআই-বি স্নেহময় চক্রবর্তী, মেমারি থানার ওসি প্রীতম বিশ্বাস, সাতগেছিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বাণীশঙ্কর সিংহ মহাপাত্র-সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা।








