---Advertisement---

Auto Image Slider

সরকারিভাবে কোনো বিজ্ঞপ্তি নেই, আবাসের বাড়ি তৈরির জন্য বালি নিয়ে চলছে কালোবাজারি! বিভ্রান্তি বৈধ বালিঘাট ব্যবসায়িমহলে

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক, পূর্ব বর্ধমান: আবাস যোজনার অধীনে বাড়ি তৈরির জন্য বালির দাম নির্ধারণ নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। আর এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু বালি কারবারী ব্যাপক কালোবাজারি শুরু করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। যদিও প্রশাসন সূত্রে খবর, বর্তমানে সরকার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বালির দাম বিষয়ক কোনো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি।

বিজ্ঞাপন

জানা গিয়েছে, একাধিক জেলা প্রশাসন  এলাকার ইজারাদার, ট্রাক্টর মালিকদের একাংশ, সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিক ও থানার অফিসারদের নিয়ে বৈঠক করে ট্রাক্টর প্রতি বালির দাম (আবাস যোজনার জন্য) বেঁধে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এক্ষেত্রে আবাসের উপভোক্তাদের উপযুক্ত প্রমাণপত্র দেখিয়ে তিন ট্রাক্টর বা ৩০০ ঘন ফুট (CFT) পর্যন্ত বালি ১২০০ থেকে ১৭০০ টাকার মধ্যে বালি ঘাট থেকে সংগ্রহ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগ উঠছে যে, বেশিরভাগ জায়গায় কয়েকশো ট্রাক্টর মালিক ও চালক বেআইনিভাবে এই একই দামে সাধারণ মানুষের কাছে বালি বিক্রি করার জন্য ঝামেলা সৃষ্টি করছে। একাধিক ইজারাদারের দাবি, প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী আবাসের বাড়ি তৈরির জন্য কিংবা প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা প্রকল্পে নির্ধারিত মূল্যে বালি দিতে তাদের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু স্থানীয় ট্রাক্টর মালিকদের জোরজুলুম বরদাস্ত করা সম্ভব নয়।

ইজারাদারদের বক্তব্য, সরকারকে প্রতি ঘন ফুট বালির জন্য ২৫ টাকা রাজস্ব আগাম দিতে হয়, এরপরেও বিভিন্ন খাতে আরও ১০ থেকে ১২ টাকা খরচ হয়। এই পরিস্থিতিতে ১২ টাকা প্রতি সিএফটি দরে বালি সর্বসাধারণের জন্য বিক্রি করা একেবারেই সম্ভব নয়। অভিযোগ, কিছু অসাধু ট্রাক্টর মালিক বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে ১২০০ টাকায় ১০০ সিএফটি বালি কিনে চড়া দামে বাজারে বিক্রি করে অতিরিক্ত মুনাফা লুঠছে। যখনই কোনো ঘাট মালিক এই কালোবাজারিতে অমত হচ্ছে বা বাধা দিচ্ছেন, তখনই নানা ধরনের হুজ্জতি ও বিক্ষোভ শুরু হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় শাসক দলের একাংশের এই ঝামেলাকারীদের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠছে।

See also  ৩০০গ্রাহকের ৩০লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগে মেমারিতে গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের মালিক গ্রেপ্তার

এই পরিস্থিতিতে অনেক বৈধ ইজারাদার লোকসানের বোঝা এড়াতে ব্যবসা বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন, যার ফলে পরোক্ষভাবে সরকারি রাজস্বের ক্ষতি হচ্ছে। বালি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত একাংশের দাবি, সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই এই সমস্যাগুলি মাথাচাড়া দিয়েছে। অনেকে আবার মনে করছেন, যদি শুধুমাত্র বালির দামই বেশি বলে মনে হয়, সেক্ষেত্রে আবাস যোজনার বরাদ্দ বাড়িয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান হতে পারে। তাঁদের আরও অভিযোগ, বাড়ি তৈরির জন্য ব্যবহৃত অন্যান্য কাঁচামালের দাম নির্ধারণের ব্যাপারে সরকারের কোনো হেলদোল নেই।

শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---