---Advertisement---

Auto Image Slider

সোনামুখী রেশম শিল্পী সমবায়ের পক্ষ থেকে হ্যান্ডলুম শিল্পের ভবিষ্যত নিয়ে সচেতনতা শিবির

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক, বাঁকুড়া: সোনামুখী রেশম শিল্পী সমবায়ের পক্ষ থেকে হ্যান্ডলুমের গুণগত মান, বাজার দর, শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয় সোনামুখীতে। হ্যান্ডলুম রিজার্ভেশন অ্যাক্ট ১৯৮৫  যেটা ভারত সরকার দ্বারা চালু হয়েছিল সেই অ্যাক্ট এর মাধ্যমে অ্যাওয়ারনেস এবং সেমিনারের আয়োজন করা হয়। ভারতীয় হ্যান্ডলুমের যে বিশ্বজোড়া খ্যাতি আছে তাকে আরো উন্নত করা, উন্নতমানের এক্সপোর্ট এর ব্যবস্থা করা ও সঠিক মানের বাজারদর তার সাথে পরিবেশবান্ধব রং দিয়ে যাতে হ্যান্ডলুম শাড়ির তৈরি করা হয় সেই বিষয়েও তাঁত শিল্পীদের নিয়ে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হলো।

বিজ্ঞাপন

 

হ্যান্ডলুম আসলে বিদ্যুৎ ব্যবহার না করে হাতে বোনা কাপড়। একে হস্তচালিত তাঁতও বলা হয়। তাঁতের কাপড় তৈরি করতে, তাঁতের সুতোগুলিকে টান দিয়ে ধরে রাখা হয়। এরপর, তাঁত শাটলের সাহায্যে সুতোগুলিকে তাঁতের উপরে সংযুক্ত করে কাপড় বোনা হয়। হ্যান্ডলুম শাড়ি তৈরি করতে তুলা, রেশম, উল, লিনেনের মতো কাঁচামাল, তাঁত, শাটল, সুতো, স্টার্চ ইত্যাদি লাগে। কাঁচা তুলা বা রেশমের তন্তু থেকে সুতো তৈরি করা হয়।

 

হস্তচালিত তাঁতের শাড়ি তৈরি করা একটি সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া যার জন্য দক্ষতা এবং নির্ভুলতার প্রয়োজন। সুতা কাটা থেকে শুরু করে রঙ করা এবং বুনন, প্রতিটি ধাপই যত্ন সহকারে সম্পন্ন করা হয় যাতে সূক্ষ্ম নকশা এবং নকশা তৈরি করা যায়। হস্তচালিত তাঁতের শাড়ির বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। এগুলি পরিবেশ বান্ধব, প্রাকৃতিক তন্তু এবং ঐতিহ্যবাহী কৌশল ব্যবহার করে তৈরি যা কার্বন পদচিহ্ন কমিয়ে দেয়। তাছাড়া, হস্তচালিত তাঁতের শাড়ি কেনাকাটা বাড়লে স্থানীয় কারিগরদের আর্থিক সচ্ছলতা আসে। এবং ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প সংরক্ষণে সহায়তা করে। হস্তচালিত তাঁতের শাড়ি কেবল পোশাকই নয়; এগুলি ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং শিল্পীর দক্ষতার প্রতীক।

See also  বর্ধমানে ভগত সিং-এর মূর্তি এখন হকারদের পসরার আড়ালে ঢাকা পড়েছে
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---