---Advertisement---

কাটোয়া স্টেশনে ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাশকতার ইঙ্গিত, তদন্তে এলেন ডিআরএম

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,কাটোয়া: রবিবার ভোররাতে কাটোয়া জংশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকালের একটি কামরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সমগ্র রেল চত্বরে। ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন করে রবিবার বিকেলেই ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM) বিশাল কাপুর। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর তিনি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এই অগ্নিকাণ্ডের উৎস সাধারণ শর্ট সার্কিট নয়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ কারণ অনুসন্ধানে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রেল কর্তৃপক্ষের তরফে শর্ট সার্কিটের তত্ত্ব খারিজ করার পেছনে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে। জানা গেছে, ট্রেনটির যাত্রা শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ৬টা। অগ্নিকাণ্ডের সময় ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল এবং কামরায় কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ বা ইঞ্জিন চালু ছিল না। বিদ্যুৎহীন একটি কামরায় কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো, তা নিয়েই দানা বাঁধছে রহস্য। রেলের কারিগরি বিশেষজ্ঞদের মতে, যান্ত্রিক ত্রুটির সম্ভাবনা এক্ষেত্রে অত্যন্ত ক্ষীণ এবং বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে কি এই অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে কোনো অন্তর্ঘাত বা নাশকতার ছক রয়েছে? বাইরে থেকে কেউ বা কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আগুন লাগিয়েছে কি না, সেই বিষয়টিও বর্তমানে তদন্তাধীন। ডিআরএম জানিয়েছেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং সত্য উদ্ঘাটনে প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। রেলের নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি স্টেশনের সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছে।

See also  বর্ধমানে সরকারী দপ্তরে ৪০ শতাংশ গাড়িই বেআইনীভাবে চলছে!
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---