---Advertisement---

Auto Image Slider

শীতের সকালে অনাথ আশ্রমের শিশুদের সঙ্গে বাঘ, ভল্লুক দেখতে বর্ধমানে খোদ মন্ত্রী

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: অনাথ আশ্রমের কচিকাঁচা দের পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ সম্পর্কে সুশিক্ষা দেওয়া ও এরই পাশাপশি শীতকালীন আনন্দভ্রমণের উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের সঙ্গে রবিবার বর্ধমানের রমনাবাগান জুলোজিক্যাল পার্ক ঘুরে গেলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। চিতাবাঘ, হরিণ, ভল্লুক, কুমির, নানান প্রজাতির পাখি সহ অন্যান্য পশু পাখি কে একই জায়গায় দেখতে পেয়ে মনের আনন্দে কয়েকঘণ্টা ছোটাছুটিতে ব্যস্ত থাকলো মা, বাবা পরিবার হারা প্রায় ১৯ , ২০ জন শিশু। মন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ কে কুর্নিশ জানিয়েছেন বন দপ্তরের আধিকারিক, কর্মী থেকে রমনাবাগানে ঘুরতে আসা ভ্রমণার্থীরা।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, ’ শিশু মনের আরো বিকাশে এইধরনের উদ্যোগ খুব প্রয়োজন। পরিবেশ, পশু পাখি সম্পর্কে এদের সঠিক ধারণা হওয়া খুব দরকার। পাশাপশি অনাথ আশ্রমের দৈনন্দিন রুটিনের বাইরে এই শিশুদের নিয়ে মাঝেমধ্যে শিক্ষামূলক ভ্রমণ তাদের মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায়। আজ রবিবার, ছুটির দিনে তাই আমার আশ্রমের কিছু কচিকাঁচাদের নিয়ে রমনাবাগান ঘুরিয়ে দেখালাম। এরই পাশাপাশি পূর্বস্থলী টি ৪বিঘে জায়গায় একটি ডিয়ার পার্ক করার জন্য বর্ধমান বিভাগীয় বনাধিকারিক সঞ্চিতা শর্মার কাছে প্রস্তাব রাখলাম।’

রবিবার পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাটের দামোদরপাড়া অনাথ আশ্রম ও বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের নিয়ে বর্ধমানের রমনাবাগান চিড়িয়াখানা ভ্রমণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। ডিএফও সঞ্চিতা শর্মার তৎপরতায় একটি ‘বসে আঁকো প্রতিযোগিতায়’ এদিন অংশ নেয় শিশুরা। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারীদের হাতে উপহার তুলে দেন মন্ত্রী। বন বিভাগের তরফে শিশুদের মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় রেল পুলিশের সহায়তায় ৪ টি পেরিগ্রিন ফ্যালকন প্রজাতির বিশ্বের দ্রুততম শিকারী পাখি উদ্ধার হয় বর্ধমান রেল স্টেশন থেকে। বন দফতর পাখি গুলি নিজেদের হেপাজত নেয়। পাখিগুলি প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে উঠে। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে এদিন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের হাত ধরে পাখি গুলিকে পরিবেশে মুক্ত করে দেওয়া হয়।

See also  কাঁঠাল গাছ বেয়ে দোতলায় হানা! সিনেমার কায়দায় অপারেশন বর্ধমানের অফিসার্স কলোনিতে, লুট নগদ সহ প্রায় ২০ লক্ষ টাকার গহনা

বর্ধমান বিভাগীয় বনাধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা জানান,” পূর্বস্থলী এলাকায় একটি ডিয়ার পার্ক তৈরির জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন মন্ত্রী। বনদপ্তরের তরফ থেকে ডিয়ার পার্ক তৈরির ক্ষেত্রে যে ধরনের পরিকাঠামো প্রয়োজন সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখে অনুমোদনের জন্য আবেদন জানানো হবে।”

শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---