---Advertisement---

Auto Image Slider

নবান্নের নির্দেশ আসতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায় প্রতি ব্লকে সেফ হোম তৈরীর উদ্যোগ নিল প্রশাসন

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেওয়ায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় আরও সেফ হোম তৈরী রাখার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে নির্দেশ পাঠালো নবান্ন। মঙ্গলবারই এই নির্দেশ পূর্ব বর্ধমান জেলায় এসে পৌঁছানোর পরই জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সাথে ভার্চুয়াল বৈঠকও করলেন। 

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯জন। আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪২১জন। আক্রান্তের সংখ্যা সোমবার কিছুটা কমায় স্বস্তি দেখা দিলেও মঙ্গলবার ফের জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬৩ জন। মারা গেছেন ৪জন। করোনা সংক্রমণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ধরণের সতর্কতা নেওয়া দরকার তা অনেক জায়গাতেই দেখা যাচ্ছে না। ফলে আগামী দিনে করোনা সংক্রমণ আরও বাড়ার আশংকা করছেন প্রশাসনের কর্তারা। আর তাই গোটা রাজ‌্য জুড়েই করোনা আক্রান্তদের চিকিত্সার সুযোগ দিতে রাজ্য সরকার প্রতিটি জেলায় জেলায় আরও বেশি করে সেফ হোম তৈরী রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

 সেই নির্দেশ অনুসারেই পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও মঙ্গলবার সমস্ত ব্লকে ব্লকে একটি করে সেফ হোম তৈরী করার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। এদিনই সমস্ত বিডিওদের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনাও করেছেন বলে জানা গেছে। সেক্ষেত্রে যে ব্লকে যেরকম সুবিধাযুক্ত জায়গা পাওয়া যাবে সেখানেই এই সেফ হোম তৈরী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে কোনো স্কুলকে নেওয়ার দরকার পড়লে তাও সেফ হোম হিসাবে ব্যবহার করা হবে। 

এদিন বর্ধমানের অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) অনির্বাণ কোলে জানিয়েছেন, এদিনই নবান্ন থেকে তাঁরা নির্দেশিকা পেয়েছেন। ইতিমধ্যেই জেলায় কোভিড হাসপাতালের পাশাপাশি প্রতিটি মহকুমাতেই একটি করে সেফ হোম তৈরী রাখা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের নয়া নির্দেশিকা অনুসারে এবার প্রতিটি ব্লকে ব্লকেও তাঁরা তৈরী রাখছেন সেফ হোম। কিষাণ মাণ্ডি, স্কুল ছাড়াও পরিকাঠামোগত সুবিধা যুক্ত জায়গাতেই এই সেফ হোম তৈরী রাখা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুসারে তাঁরা সেগুলি ব্যবহার করবেন।

 অতিরিক্ত জেলাশাসক জানিয়েছেন, বর্ধমানের কৃষি খামার প্রাঙ্গণে জেলা কৃষি ভবনকে পূর্ণাঙ্গ কোভিড হাসপাতাল হিসাবেই চালু করা হয়েছে। এছাড়াও বর্ধমান শহর কেন্দ্রিক রয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ক্যামরি বেসরকারী হাসপাতাল। কালনায় কালনা হাসপাতাল ছাড়াও একটি লজকে সেফ হোম হিসাবে তৈরী রাখা হয়েছে। কাটোয়াতেও মহকুমা হাসপাতাল ছাড়াও সেখানে একটি লজকে তৈরী রাখা হয়েছে সেফ হোমের জন্য।

See also  জামালপুরে রাস্তার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---