---Advertisement---

Auto Image Slider

ভোট মিটতেই বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ল ৯৯৪ টাকা, রেস্তোরাঁ মালিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার অব্যবহিত পরেই জ্বালানির বাজারে বড়সড় ধাক্কা। বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ৯৯৪ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ১ মে ২০২৬ তারিখ থেকে এই বর্ধিত মূল্য কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বড় শহরগুলিতে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম প্রায় হাজার টাকার কাছাকাছি বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং রেস্তোরাঁ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের কপালে উদ্বেগের ভাঁজ লক্ষ করা যাচ্ছে। কলকাতা ছাড়াও দিল্লি, মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের মতো মহানগরেও সমহারে মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।

বিজ্ঞাপন

তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় ১৯ কেজি ওজনের বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বর্তমানে ৩২০২ টাকায় পৌঁছেছে, যা পূর্বে ২২০৮ টাকা ছিল। দিল্লিতে এই বৃদ্ধির পরিমাণ ৯৯৩ টাকা এবং চেন্নাইয়ে ৯৯০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি হোটেল ব্যবসায়ীদের পক্ষে পুরনো মেনু কার্ড অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই তাদের খাবারের দাম বাড়ানোর কথা চিন্তাভাবনা করছে। কমার্শিয়াল সিলিন্ডারের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অটো-এলপিজির দামও। প্রতি লিটারে ৬ টাকা ৪৪ পয়সা বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে এর মূল্য দাঁড়িয়েছে ৮৯ টাকা ৪০ পয়সায়।

বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামে আকাশছোঁয়া বৃদ্ধি ঘটলেও ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের দাম বর্তমানে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তে জনমানসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং ব্যবসার মালিকদের মতে, জ্বালানি খরচের এই বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ উপভোক্তাদের ওপরই বর্তাবে। অটো চালক সংগঠনগুলিও বর্ধিত ভাড়ার দাবিতে সরব হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, এই মূল্যবৃদ্ধি এমন এক সময়ে কার্যকর করা হয়েছে যখন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল এখনও প্রকাশিত হয়নি।

পরিবহন এবং হোটেল শিল্পের প্রতিনিধিরা এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের প্রতি প্রবঞ্চনা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচন চলাকালীন স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হলেও ভোট মিটতেই জনগণের ওপর এই আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে গোটা বিষয়টি তদন্তাধীন এবং কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক বা পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের পক্ষ থেকে নতুন কোনও দিশানির্দেশ আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ব্যবসায়িক মহল। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বাজারে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে।

See also  বর্ধমানে গৃহস্থের বাড়ি থেকে উদ্ধার খরিস গোখরো, আতঙ্ক
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---