---Advertisement---

খোদ বিডিও-র নাম ভাঁড়িয়ে প্রতারণার জাল, এক ক্লিকেই সাফ হয়ে যাচ্ছে ব্যাঙ্কের টাকা!

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,জামালপুর: পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে এক অভিনব ও উদ্বেগজনক সাইবার প্রতারণার ঘটনা প্রকাশ্যে এল, যা প্রশাসনিক মহলে গভীর চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, খোদ সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিও-র (BDO) পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল একদল দুষ্কৃতী। এই ঘটনায় জামালপুরের পাঁচড়া এলাকার এক গৃহবধূ আর্থিক প্রতারণার শিকার হয়েছেন, যা ডিজিটাল নিরাপত্তার প্রশ্নটি আবারও উস্কে দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, এলাকার বাসিন্দা অরবিন্দ বৈরাগ্যের স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযুক্তরা। সরকারি প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে এবং নিজেকে বিডিও পরিচয় দিয়ে তারা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে ওই মহিলার বিশ্বাস অর্জন করে। এরপর কৌশলে তার ব্যক্তিগত ব্যাঙ্কিং তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়। মুহূর্তের অসতর্কতায় ওই গৃহবধূর অ্যাকাউন্ট থেকে ৪ হাজার টাকা গায়েব হয়ে যায়।

প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি অনুধাবন করতেই ভুক্তভোগী পরিবারটি কালবিলম্ব না করে জামালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং পুরো বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনার নেপথ্যে ভিনরাজ্যের কোনো সংঘবদ্ধ সাইবার অপরাধী চক্র সক্রিয় থাকতে পারে যারা সরকারি আধিকারিকদের নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

এই ঘটনা জানাজানি হতেই নড়েচড়ে বসেছে ব্লক প্রশাসন। বিষয়টি নজরে আসতেই জামালপুর ব্লকের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে প্রশাসনের তরফে একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিডিও বা প্রশাসনের কোনো আধিকারিক কখনোই ফোন করে ওটিপি (OTP) বা ব্যাঙ্কিং তথ্য জানতে চান না। প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষকে ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে চরম সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

See also  গাড়ি অন করতেই গড়িয়ে নেমে গেল পুকুরের জলে, আলোড়ন বর্ধমানে
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---