ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,শক্তিগড়: নতুন বছরের প্রথম দিনেই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের তিনজনের। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের শক্তিগড় থানার বামবটলতা এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।ছেলেকে নিয়ে দুর্গাপুর থেকে দমদম এয়ারপোর্টে যাওয়ার সময় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে চার চাকা গাড়িটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল ছেলে ও বাবা মায়ের। গুরুতর জখম অবস্থায় বর্ধমান হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন গাড়ির চালক। মৃতরা হলেন শেখ সাহানাওয়াজ(২৭), ছেলে। বাবা সেখ মহম্মদ মুর্শেদ(৫৫) ও মা রেজিনা খাতুন(৫১)। তাদের বাড়ি দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার এলাকায়।


জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ছেলেকে নিয়ে দুর্গাপুর থেকে দমদম এয়ারপোর্ট যাচ্ছিলেন বাবা ও মা। ছেলে কাজের সূত্রে মুম্বাইতে থাকে। ছুটিতে বাড়ি আসার পর এদিন তাকে এয়ারপোর্টে ছাড়তে যাচ্ছিলেন তারা। জাতীয় সড়কে তাদের গাড়ির সামনে একটি তেল বোঝাই ট্যাঙ্কার যাচ্ছিল। হঠাৎই চারচাকা গাড়িটি গতি বাড়িয়ে ট্যাংকারের পিছনে ধাক্কা মারে। এরফলে, চারচাকা গাড়িটির সামনের অংশ সম্পূর্ন দুমড়ে মুচড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন এসে দুর্ঘটনাগ্রস্থ গাড়িটি থেকে সকল কে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শক্তিগড় থানার পুলিশ। চালক সহ তিনজনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গাড়ির ড্রাইভার সাহেব মুন্সীও গুরুতর আহত অবস্থায় বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্যাঙ্কারের পিছনে চার চাকা গাড়িটি সজোরে ধাক্কা মারার পর চারচাকা গাড়িটিকে নিয়ে বেশ কিছুটা এগিয়ে যায় ট্যাংকারটি। ট্যাংকারের চালক কিছু বুঝতে পারেনি। স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে ট্যাংকারটি আটকায়। গাড়ির দরজা ভেঙে দেহ গুলি বার করা হয়। শক্তিগড় থানার পুলিশ ট্যাঙ্কারটিকে আটক করেছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুরজিৎ দে জানান,” মৃতদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কি কারণে দুর্ঘটনা সেই বিষয়ে এখনও জানা যায়নি। চালকের চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”









