---Advertisement---

Auto Image Slider

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই পূর্ব বর্ধমানে একের পর এক চোলাইয়ের ঠেকে অভিযান, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ মদ ও সরঞ্জাম

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের পরই অবৈধ চোলাই কারবারের বিরুদ্ধে একযোগে বড়সড় অভিযানে নামল পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ এবং জেলা আবগারী দপ্তর। রবিবার সকাল থেকেই বর্ধমান থানা ও বর্ধমান সদর এক্সাইজ সার্কেলের অন্তর্গত বিজয়রাম এলাকায় এই জোরদার অভিযান চালানো হয়।অভিযানে প্রায় ১৭০ লিটার চোলাই মদ এবং ৪৭১০ লিটার চোলাই তৈরির উপকরণ নষ্ট করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রায় ৪০টি চোলাই তৈরির হাঁড়ি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি বেশ কিছু চোলাই ভাটি ভেঙে দিয়েছে পুলিশ ও আবগারী দপ্তরের যৌথ দল।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার সকালে বিজয়রামের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চলে। অভিযানের শুরুতে বিজয়রামের মালিগড় এলাকা থেকে ৫০ লিটার চোলাই এবং ১৩২০ লিটার চোলাই তৈরির কাঁচামালসহ ১৫টি হাঁড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপর বিজয়রামের রেল লাইনধার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭০ লিটার চোলাই, ১২৯০ লিটার চোলাই তৈরির উপকরণ এবং ১৯টি হাঁড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়। এছাড়া, বিজয়রামের কেশরা পাড়া থেকে ১০ লিটার চোলাই, ৮০০ লিটার কাঁচামাল এবং ২টি হাঁড়ি উদ্ধার হয়। বিজয়রামের কুঁড়ে পাড়াতেও অভিযান চালিয়ে ৪০ লিটার চোলাই, ১৩০০ লিটার চোলাই তৈরির উপকরণ এবং ৪টি হাঁড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

এই ঘটনায় পৃথকভাবে মোট আটটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, অবৈধ চোলাইয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে চলবে। অভিযানের পাশাপাশি, রাজ্যের প্রত্যন্ত গ্রামগুলি থেকেও যাতে অবৈধ চোলাই কারবারের তথ্য পাওয়া যায়, তার জন্য পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ডেডিকেটেড ফোন নম্বর চালু করা হয়েছে। এই নম্বরে ফোন করে যেকোনো সাধারণ মানুষ চোলাই কারবার সম্পর্কিত তথ্য সরাসরি পুলিশকে জানাতে পারবেন এবং তাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপ চোলাইমুক্ত সমাজ গড়তে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

See also  বর্ধমান থানার আইসির বদলি, নতুন আইসি হচ্ছেন অমলেন্দু বিশ্বাস
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---