---Advertisement---

Auto Image Slider

করোনা অবহেই প্যারোলে মুক্তি রাজ্যের ২৬ বন্দির, ব্রাত্য বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগারের প্যারোলে মুক্ত বন্দীদের মধ্যে ২৬ জনকে স্থায়ী মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এঁরা মেদিনীপুর, বারুইপুর, জলপাইগুড়ি, দুর্গাপুর মুক্ত সংশোধনাগার এবং লালগোলা সংশোধনাগারের বন্দি। অথচ বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের বন্দীদের জন্য এক্ষেত্রে কোনো সুখবর আসেনি। যদিও বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে পক্ষ থেকে প্রায় ১৮জন বন্দির তালিকা স্থায়ী মুক্তির জন্য পাঠানো হয়েছিল রাজ্য সরকারের কাছে। সম্প্রতি রিভিউ কমিটির রিপোর্ট অনুসারে ১৭৫ জনকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দেবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম ধাপে ২৬ জন সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের স্থায়ী মুক্তি দেবার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 
অবশ্য কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের বন্দীদের এক্ষেত্রে বাদ রাখা হয়েছে বলে সূত্র মারফৎ জানা গেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রথম ধাপে এই ২৬জনের মধ্যে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের কোনো বন্দি নেই বলে জানা গেছে। যদিও বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে ইতিমধ্যেই প্যারোলে মুক্তির জন্য ১২৪ জনের একটি তালিকা রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ১২৪ জনের মধ্যে ৫৩ জন বর্তমানে মুক্ত রয়েছেন ৩ মাসের প্যারোলে। বাকি ৭১জন ১ মাসের প্যারোলে মুক্তি পেলেও সম্প্রতি রাজ্য সরকারের নির্দেশে তাঁদের মেয়াদ আরও ১ মাস বাড়িয়ে মোট ২ মাস করা হয়েছে বলে জানা গেছে। 
বর্ধমান জেলা কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট আশীষ বণিক জানিয়েছেন, বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বর্তমানে ১৮ জন বন্দি রয়েছেন যাঁরা ইতিমধ্যেই ১৪ বছর সাজা কাটিয়ে ফেলেছেন। স্থায়ী মুক্তির ক্ষেত্রে তাঁদের নামের তালিকা পাঠানো হয়েছিল। উল্লেখ্য, আশীষবাবু জানিয়েছেন, বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বর্তমানে ৯১৫ জন বন্দির থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এদিন বন্দির সংখ্যা ৯০৬জন। প্রসঙ্গত, তিনি জানিয়েছেন, করোনা আবহে এই সংশোধনাগারে বন্দিদের সংখ্যা অনেকটাই কমে গেছিল। লকডাউন ওঠার পর আস্তে আস্তে তা বাড়ছে।

বিজ্ঞাপন
যদিও আশীষবাবু জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনারে কোনো করোনা উপসর্গের এমনকি জ্বরে আক্রান্ত কোনো বন্দি আসেননি। তিনি জানিয়েছেন, বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ৫০ জনের একটি আইসোলেসন ওয়ার্ড তৈরী করা হয়েছে। এই মুহূর্তে নতুন যে বন্দিরা আসছেন তাঁদের প্রথমে আলাদা জায়গায় ১৪দিনের এবং পরে ৭দিনের কোয়ারেণ্টাইনে রাখার পর তাঁদের সাধারণ সেলে পাঠানো হচ্ছে।
See also  পূর্ব বর্ধমানে আলুবীজের কালোবাজারীর রমরমা, ১৭০০ টাকার বীজ এখন ৫৫০০ টাকায়
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---