---Advertisement---

Auto Image Slider

পূর্ব বর্ধমানে করোনা আক্রান্তদের সন্ধানে বাড়ি বাড়ি নজরদারীর নির্দেশ জেলা প্রশাসনের

Souris Dey

Published

বিজ্ঞাপন
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: করোনা ভাইরাস 
আতংকের জেরে এবার পূর্ব বর্ধমান জেলার সমস্ত বেসরকারী নার্সিংহোম ও হাসপাতালগুলিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেন জেলাশাসক বিজয় ভারতী। শুক্রবার সমস্ত বেসরকারী নার্সিংহোম ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষদের নিয়ে বৈঠক শেষে জেলাশাসক জানিয়েছেন, প্রতিটি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে এদিন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে করোনা সন্দেহে কোনো রোগী এলে তাঁকে ফেরানো যাবে না। তাঁদের চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর সমস্ত বিবরণ প্রতিদিন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্যাধিকারিকের কাছে রিপোর্ট আকারে পাঠাতে হবে। 
জেলাশাসক জানিয়েছেন, এদিন এই বৈঠকে মোট ২৩টি নার্সিংহোম মালিক অংশ নিয়েছিলেন। তার মধ্যে ১৫টি নার্সিংহোম কতৃপক্ষ তাঁদের নার্সিংহোমে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরী করে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন। জেলাশাসক জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার করোনা ভাইরাস নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন কে অধিকতর ক্ষমতা দিয়েছেন। এই ক্ষমতা বলে কোনো নার্সিংহোম সরকারী নির্দেশ না মানলে সেক্ষেত্রে সেই নার্সিংহোম সরকারীভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য দখলও নিতে পারবেন তাঁরা। 
এদিন জেলাশাসক জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির এই জেলায় থাকার কোনো খবর নেই। আউশগ্রামের যে ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁর রক্তের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। যদিও তিনি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত গোটা জেলায় ৭৮৩জন যাঁরা ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে ফিরেছেন তাঁদের হোম করেণ্টাইনে রাখা হয়েছে। এছাড়াও ১৬৩জন বিদেশ থেকে ফেরা ব্যক্তিকেও হোম করেণ্টাইনে রাখা হয়েছে। 
জেলাশাসক জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত জেলায় মোট ৬৫০০ জনের স্ক্রিনিং করা হয়েছে। কেবলমাত্র বর্ধমান ষ্টেশনেই করা হয়েছে ৫৩২জনের। এদিকে, অনেকেই ভিন রাজ্য বা বিদেশ থেকে বাড়ি ফিরে আসলেও তাঁরা চিকিৎসা না করানোর জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে খবর মেলায় জেলা প্রশাসনের এব্যাপারে বাড়ি বাড়ি নজরদারীর কাজ শুরু করেছে। আর বাড়ি বাড়ি নজরদারীর কাজে লাগানো হয়েছে সিভিক ভলেণ্টিয়ার, আশা কর্মী, স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে। তাঁদের বাড়ি বাড়ি খোঁজখবর নেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 
জেলাশাসক জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের জেরে বাইরে থেকে মানুষজনের আসা বেড়ে গেছে। অনেকেই ট্রেনের পাশাপাশি বাসেও ফিরছেন। কেউ দিনে আবার কেউ রাতে ফিরছেন। ফলে তাঁদের স্ক্রিনিং করানোর বিষয়টি অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়ায় এদিন থেকেই বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায় পথের সাথীগুলিকে এবং দুটি আইটিআইকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ধরণের ব্যক্তিদের ওই পথের সাথী বা আইটিআই-এ গিয়ে স্ক্রিনিং করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
See also  আমফুন পরবর্তী ঝড়ে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---