---Advertisement---

Auto Image Slider

বর্ধমানে পণের বলি গৃহবধূ, ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে খুনের অভিযোগ! স্বামী-ভাসুর গ্রেফতার

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: বর্ধমানের কাঁটাপুকুর দুর্গা মন্দির এলাকায় অতিরিক্ত পণের দাবিতে গৃহবধূ সুইটি কুমারী (৩৫)-কে ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় সুইটির স্বামী কানহাইয়া ভগত (৪০) এবং ভাসুর সন্তোষ কুমার ভগত (৪৬)-কে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। আজ, বুধবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সুইটির বাবা চিত্তরঞ্জন জশওয়াল, যিনি ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলার বাসিন্দা, পুলিশকে জানিয়েছেন যে, ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের সময় মোটা অঙ্কের নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার পণ হিসেবে দেওয়া হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই সুইটির উপর অতিরিক্ত পণের জন্য শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু হয়, যা তিনি বহুবার তাঁর বাপের বাড়িতে জানিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার সকালে এই অত্যাচার চরম আকার ধারণ করে। ওইদিন রাত আটটা নাগাদ সুইটির জা পূজা ভগত চিত্তরঞ্জনবাবুকে ফোন করে জানায় যে সুইটি তিনতলা থেকে পড়ে মারা গিয়েছে এবং দাবি করে যে সুইটি ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়েছিল। তবে সুইটির বাবা এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর মেয়েকে মারধর করে ছাদ থেকে ফেলে খুন করা হয়েছে, বা খুন করে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং এটিকে আত্মহত্যা দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

চিত্তরঞ্জন জশওয়ালের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ সাক্ষীদের বয়ান ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণ সংগ্রহ করে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জেরায় ধৃতরা খুনের কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে খুন এবং অতিরিক্ত পণের জন্য শারীরিক নির্যাতনসহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে আরও গভীরে তদন্ত করতে চাইছে। অন্যদিকে, সুইটির শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, তিনি মানসিক রোগে ভুগছিলেন এবং সেই কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

See also  বর্ধমানে শুত্রুবার থেকে শর্তসাপেক্ষে খুলে যাচ্ছে বেশ কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---