---Advertisement---

Auto Image Slider

প্যারোলে মুক্ত সাজাপ্রাপ্তের বিরুদ্ধে লরি চুরির অভিযোগ, তদন্তে জামালপুর থানার পুলিশ

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: একটি লরি চুরির অভিযোগে নাম জড়াল প্যারোলে মুক্ত এক সাজাপ্রাপ্তের। তার নাম সমরেশ হালদার। লরি চুরির তদন্তে নেমে সমরেশ হালদার সহ আরো চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিস। ধৃতদের নাম কার্তিক দে, সুরজ কুমার রজক, বিমলেশ কুমার ঠাকুর ও বিশাল কুমার সিং। 

বিজ্ঞাপন

পুলিস জানিয়েছে, কালনা থানার জিউধাড়া গ্রামে সমরেশের বাড়ি। ২০১৭ সালের কালনা থানার একটি খুনের মামলায় সাজা খাটছে সমরেশ হালদার। সে বর্তমানে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দী ছিল। লরি চুরির ঘটনার সময় সে ২০ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্ত ছিল। পুলিস জানিয়েছে, লরি চুরির পরিকল্পনার মাস্টার মাইন্ড এই সমরেশ ই। পুলিশ জানিয়েছে, গত ২০ অক্টোবর রাতে মেমারি-তারকেশ্বর রোডে আঝাপুর এলাকা থেকে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়ার অভিযোগে চার দুষ্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।

তাদের নাম কার্তিক দে, সুরজ কুমার রজক, বিমলেশ কুমার ঠাকুর ও বিশাল কুমার সিং। ধৃতদের মধ্যে কার্তিক ও সুরজকে আদালতে পেশ করে ৪ দিন হেফাজতে নেয় পুলিস। দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লরি চুরিতে সমরেশের জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে পারে পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, কার্তিকের বাড়ি জামালপুর থানার উদয়পুরে। বাকিদের বাড়ি পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকশা থানার বিরুডিহা ও পানাগড় বাজার এলাকায়। লরি চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে জামালপুর থানার তদন্তকারী অফিসার বর্ধমান সংশোধনাগারে গিয়ে ৪ জন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আর তখনই এই লরি চুরির ঘটনায় সমরেশের জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

পুলিশ এও জানতে পারে লরি চুরি করার পরের দিনই সমরেশ বর্ধমান সংশোধনাগারে আত্মসমর্পণ করেছিল। স্বাভাবিকভাবেই লরি চুরিতে যে সমরেশ জড়িত থাকতে পারে তা পুলিসের কল্পনার বাইরে ছিল।লরি চুরিতে ৫ জনের জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হবার পরই তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন (শোন অ্যারেস্ট) জানান তদন্তকারী অফিসার। সেই আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর সোমবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।

See also  বর্ধমানে ব্যাগের দোকানে হানা দুর্নীতি দমন শাখার, বাজেয়াপ্ত নামী কোম্পানির নকল ৩১৬টি পিঠ ব্যাগ

লরি উদ্ধারের জন্য এবং ধৃতদের কাজকর্মের বিষয়ে বিশদে জানতে সমরেশ ও কার্তিক কে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানালে বিচারক দু’জনকে ৪ দিন পুলিসি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাকিদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ১৪ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন সিজেএম।

শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---