---Advertisement---

Auto Image Slider

খন্ডঘোষে পাম্প অপারেটর নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, জমিদাতা শুভেন্দু দাস বনাম অসীমা ব্যানার্জি, রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,খন্ডঘোষ: পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার পুনসুর গ্রামে সরকারি পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের পাম্প অপারেটরের কাজ ঘিরে তীব্র বিবাদ সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় একদিকে যেমন জমিদাতার কাজ হারানোর অভিযোগ উঠেছে, তেমনই অন্যদিকে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তা এক মহিলা পাম্প দখলের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে স্থানীয় প্রশাসনকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গত শনিবার সন্ধ্যায় পুনসুর গ্রামের পানীয় জল প্রকল্পের পাম্প হাউসে এই ঘটনা ঘটে। পাম্প অপারেটর অসীমা ব্যানার্জির দাবি, সরকারি ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে তিনি পিএইচই দপ্তরের পাম্প অপারেটর হিসেবে যোগদান করেন এবং নিয়মিত বেতন পান। তবে গত চার মাস ধরে তিনি কোনো সরকারি বেতন পাননি। গত শনিবার সন্ধ্যায় পাম্প চালাতে গেলে গ্রামেরই এক যুবক, শুভেন্দু দাস সপরিবারে তাঁর দেওরকে জোরপূর্বক পাম্প হাউস থেকে সরিয়ে দিয়ে নিজেই পাম্প চালাতে শুরু করেন। এই ঘটনায় তিনি সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, শুভেন্দু দাসের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁর দাবি, তিনি ২০১৩ সালে পিএইচই দপ্তরের পাম্প তৈরির জন্য জমি দান করেছিলেন। ওই জমির জে.এল. নম্বর ৩৩, দাগ নম্বর ৭১৫ এবং খতিয়ান নম্বর ২৬৯। জমি দানের শর্ত অনুযায়ী, সরকারিভাবে ট্রেনিং নেওয়ার পর তাঁকে পাম্প অপারেটর হিসেবে নিয়োগ করা হয়। শুভেন্দু দাসের দাবি, ২০২৩ সালের ৫ অক্টোবর তাঁকে পাম্প অপারেটর হিসেবে কাজে নিযুক্ত করা হয় এবং কয়েক মাস তিনি নিয়মিত বেতনও পান। কিন্তু ২০২৪ সালের ৭ ডিসেম্বর তাঁকে জোরপূর্বক কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি স্থানীয় তৃণমূলের কয়েকজন নেতার মদতে তাঁকে কাজ থেকে সরানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়ে পিএইচই দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি বলে শুভেন্দু দাস জানিয়েছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে সমস্যার সমাধান এবং তাঁর কাজ ও বকেয়া বেতন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত দাবি জানিয়েছেন।

See also  পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার আগেই জাল প্রশ্নপত্র বিলি ও প্রতারণা চক্রের ১০ জন গ্রেপ্তার, আলোড়ন

এই বিষয়ে খণ্ডঘোষ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দেবকুমার দীক্ষিত জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং বেরুগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে। বেরুগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পীযুষ সাহা বলেন, সরকারিভাবে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনাটি বেরুগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানের সময়ে ঘটেছিল এবং পিএইচই ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় এই বিবাদ ঘিরে পুনসুর গ্রামে উত্তেজনা রয়েছে।

শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---