ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: অবৈধ বালি খাদান রুখতে ফের তৎপর জেলা প্রশাসন। আজ (মঙ্গলবার) গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়না ব্লকের দামোদর নদের তীরবর্তী এলাকায় প্রশাসন ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানে অবৈধ বালি উত্তোলনে ব্যবহৃত তিনটি মেসিন (বকলেট) আটক করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, সরকারিভাবে নদী থেকে বালি তোলার নির্দিষ্ট ইজারা পাওয়ার পরেও পূর্ব বর্ধমানের বেচারহাট মৌজার এক ইজারাদার সেই শর্ত মানছিল না। দীর্ঘদিন ধরেই নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে গিয়ে কখনও শ্রীরামপুর মৌজায় আবার কখনও রায়নার বামুনিয়া মৌজায় ঢুকে অনৈতিকভাবে বালি চুরি করে পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের কাছে এই খবর পৌঁছাতেই নড়েচড়ে বসে জেলা ও ব্লক ভূমি রাজস্ব দপ্তর এবং পুলিশ।

দীর্ঘদিন ধরেই এই অবৈধ বালি উত্তোলনের রমরমা কারবার চলছিল। অভিযোগ, এক মৌজায় বালি তোলার ইজারা থাকা সত্ত্বেও ইজারাদার অন্য মৌজায় বেআইনিভাবে বালি তুলছিল। মঙ্গলবার রায়না ১ নং ব্লক, বড়শুল এবং বর্ধমানের বিএলআরও ও ডিএলআরও দপ্তরের আধিকারিকদের নেতৃত্বে পরিচালিত হয় এই বিশেষ অভিযান। অভিযানে সহযোগিতা করে রায়না, বর্ধমান ও শক্তিগড় থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।
প্রশাসনের এই আকস্মিক হানায় অবৈধ ভাবে বালু তোলার কাজে ব্যবহৃত তিনটি মেসিন (বকলেট) আটক করা হলেও, অভিযান চলাকালীন কাউকেই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। তবে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। একই সাথে, এই অবৈধ চক্রের পেছনে কারা রয়েছে এবং কাদের মদতে দীর্ঘদিন ধরে এই কারবার চলছিল, তা নিয়ে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এই পদক্ষেপ অবৈধ বালি কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছে।








